দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপে গোলের বন্যা অব্যাহত। টুর্নামেন্টের গোলসংখ্যা ইতোমধ্যে পৌঁছে গেছে তিন অঙ্কের ঘরে। গত পরশু সুইডেনের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের ৫-১ গোলের জয়ে ফরোয়ার্ড কোডি গাকপোর করা দ্বিতীয় গোলটিই ছিল এবারের বিশ্বকাপের শততম গোল। মাত্র ৩৩ ম্যাচেই ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছে এই আসর, যা ১৯৫৮ সালের পর সবচেয়ে দ্রুততম। গত বিশ্বকাপে একই সংখ্যক ম্যাচ শেষে গোল হয়েছিল ৮৩টি। তবে শত গোলের রেকর্ডগত দ্রুততম যাত্রা এখনো ১৯৫৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের দখলে; সে আসরে মাত্র ২০ ম্যাচেই পূর্ণ হয়েছিল গোলের সেঞ্চুরি।
এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ম্যাচ হয়েছে ৪০টি, গোল হয়েছে ১২১টি। মানে প্রতি ম্যাচে ৩.০২৫ হারে গোল হয়েছে। এই হার বজায় থাকলে এবারই সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড হবে। এখন পর্যন্ত এই রেকর্ড আছে কাতার বিশ্বকাপের, গোল হয়েছিল ১৭২টি। কেন এবার এত গোল হচ্ছে?
এবারের বিশ্বকাপে দল বেশি। ম্যাচ বেশি। গোলও বেশি হবে সেটিই স্বাভাবিক। চারটি দল খেলছে প্রথম বিশ্বকাপ-কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান এবং উজবেকিস্তান।
জার্মানিও এরই মধ্যে একটি ম্যাচে নতুন দল কুরাসাওর জালে সাতবার বল জড়িয়েছে। জর্ডান ও কলম্বিয়া তাদের প্রথম ম্যাচে হেরেছে ৩ গোল হজম করে। এখন পর্যন্ত যে দুটি ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়েছে তাতেও যুক্ত আছে নতুন দুই দল কেপ ভার্দে ও কুরাসাও। এটাও একটি কারণ হতে পারে। তুলনামূলক লম্বা বিরতি শক্তিশালী দলগুলোকে পরবর্তী ম্যাচের আগে নতুন করে চাঙা ও সতেজ হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।
উত্তর আমেরিকার প্রচণ্ড গরমের ক্লান্তিও একটা কারণ হতে পারে। এখন পর্যন্ত ১২১টি গোলের মধ্যে ৩২টি গোলই এসেছে ম্যাচের শেষভাগে। মানে ৭৬তম মিনিট থেকে খেলার একদম শেষ বাঁশি বাজার মধ্যের সমটাতে এই গোলগুলো হয়েছে। শতাংশের হিসাবে যা মোট গোলের ২৬.৪৪%।
এর পাশাপাশি মারাত্মক সব ভুলের কারণে গোল হজম করার সংখ্যাও এবার বেশি। এই যেমন সুইডেন তিউনিসিয়া ম্যাচের কথা ধরুন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচে বিপজ্জনক জায়গায় বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলেন তিউনিসিয়ার ইলিয়াস স্খিরি। সেই সুযোগ গোল করেন আর সেই সুযোগে গোল করেনভিক্টর ইয়োকেরেস। উত্তর আফ্রিকার এই দলটি পুরো ম্যাচে এমন ৬টি ভুল করেছিল, এর মধ্যে গোল হয়েছে ৪টি।
গোলবন্যার পেছনে কিলিয়ান এমবাপ্পে-লিওনেল মেসিদের ফর্মেরও অবদান আছে। এমবাপ্পে প্রথম ম্যাচেই করেছেন জোড়া গোল, আর্লিং হলান্ডও দুই গোল করেছেন আর মেসি তো পেয়েছেন হ্যাটট্রিক। ব্রাজিলের খেলা দুটি ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
কেএম